ছাকিবের শুভ বিবাহ
ছাকিব শেখ গত ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং তারিখে বিবাহ করে।
বিয়েতে আমরা ভিষম আনন্দ , মজা করি।
🌻 বন্ধুত্বের ফুল
এক ছিল ছোট্ট মেয়ে, নাম পরী। সে থাকত গ্রামের এক সবুজ প্রান্তে, যেখানে ছিল তার একটা ছোট্ট বাগান। সেই বাগানে নানা রঙের ফুল ফুটত, কিন্তু পরীর প্রিয় ছিল শুধুমাত্র একটি, যার নাম ছিল সূর্যমুখী। বিশাল আকারের সেই ফুলটি সবসময় সূর্যের দিকে মুখ করে থাকত।
পরী প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যমুখীর সাথে কথা বলত। সে তার আনন্দ-দুঃখের সব কথা ফুলটিকে শোনাত। একদিন সকালে উঠে পরী দেখল, প্রচণ্ড ঝড়ে তার প্রিয় সূর্যমুখী ফুলটির ডাল ভেঙে গেছে। পরী খুব কষ্ট পেল, কেঁদে ফেলল। সে ফুলটিকে তুলে এনে সাবধানে তার ছোট বারান্দায় রাখল।
ফুলটি শুকিয়ে যাচ্ছিল। পরী রোজ তার যত্ন করত, কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছিল না। তার মন খুব খারাপ হয়ে গেল। এমন সময় গ্রামের এক বৃদ্ধ মালী সেই পথে যাচ্ছিলেন। তিনি পরীর মন খারাপের কারণ জানতে চাইলেন। সব শুনে বৃদ্ধ হেসে বললেন, "ফুলটির জীবন শেষ হয়নি মা, এর ভেতরে আছে নতুন প্রাণের বীজ। এগুলোকে যত্ন করে মাটিতে পুঁতে দাও।"
পরীর মনে আবার আশা জাগল। সে মালীর কথামতো শুকিয়ে যাওয়া সূর্যমুখী ফুলের বীজগুলো সংগ্রহ করল এবং সাবধানে তার বাগানে পুঁতে দিল। সে প্রতিদিন সেগুলোতে জল দিত আর অপেক্ষা করত।
কিছুদিন পর, মাটিতে পুঁতে দেওয়া বীজগুলো থেকে ছোট ছোট সবুজ চারা গজিয়ে উঠল। পরী আনন্দে আত্মহারা! সেই চারাগুলো বড় হয়ে যখন একে একে অনেকগুলো ঝলমলে সূর্যমুখী ফুল ফুটল, তখন তার বাগান আলোয় ভরে গেল।
পরী বুঝল, তার প্রিয় বন্ধু ফুলটি হারিয়ে যায়নি। বরং সে তার বন্ধুত্বের জোরে নতুন রূপে ফিরে এসেছে, আরও অনেক বন্ধুকে সাথে নিয়ে। পরী হাসিমুখে নতুন সূর্যমুখী ফুলগুলোর দিকে তাকাল, আর তারা সবাই সূর্যের দিকে মুখ করে যেন পরীকে ধন্যবাদ জানাল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন