বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

অনিয়ম

 এলো মেলো


আমি যা কিছু লিখলাম :

 আগুন জ্বলানোর প্রয়োজন ততটুকু ঠিক যতটুকু পানি প্রয়োজন, জমিনে জ্বলাও আর আকাশ দিবে মেঘ থেকে বৃষ্টি ! আমার এই কথার ভূল পাওয়া যাবেনা আশাকরি, আমার জীবনে দেখা এই নিয়মটি সত্যি সত্যি সত্যি ।

শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

YEAR 2026

 01.01.2026


২০২৬ ইং সালের প্রথম মুহুর্তে

আমরা পরিবারের সবাই মিলেমিশে একসাথে উক্ত কেক কেটে ইংরাজী নববর্ষ  এর অনুষ্ঠান পালন করি।

প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করেই সবাই একত্রিত হই।

গ্যাস গতকালও ছিলোনা আজ যেন কিভাবে হলো ফলে পেট পুরে খেতে পেরেছি।

                         


  28/05/2026


রোজার ঈদ গিয়ে আজ কুরবানির ঈদ । আমার জীবনে ফেলে আসা অতীত মৃত, ওখান থেকে যা স্বরন হয় আজকে  সেখানে নিজ পরিবারের সকলে সটকে গেছে , হয়ত তাদের কাছে আমার প্রয়োজন শেষ হয়েছে !




শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

When the mistake ended

 


                                 When the mistake ended


I was living a very ordinary life. In 1990, I went to the Middle East to work. I got a job in a good company, the company's name was Dana & Barclay. I had the opportunity to work for only 12 days, then one day I saw that Iraq had occupied Kuwait.

I was in Kuwait for 28 days, but the situation was not improving in any way! I was caught in a terrible fire, food, water, electricity were not available! Death seemed to be happening at every moment! 

I went to Kuwait from my country Bangladesh just 15 days ago, I am completely new, I don't know the roads, the language! I was scared all the time and wondered what would happen, 28 days passed in the same way then one day we 28 Bangladeshis left for Iraq together, taking 5 cars with us.

Zahara Abdali traveled about 676 kilometers via Basra to reach Baghdad, the capital of Iraq.


রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

জামাই


   



                  👨‍💼 নতুন জামাইয়ের কাণ্ড



অরুণিমা আর আকাশের বিয়ে হয়েছে মাসখানেক হলো। এই প্রথম আকাশ শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছে। অরুণিমা আগেই বলে দিয়েছিল যে তার বাবারা খুব রসিক মানুষ, তাই আকাশ যেন সাবধানে কথা বলে। বিশেষ করে তার বাবা, অর্থাৎ শ্বশুরমশাই, কথার প্যাঁচে ফেলতে ওস্তাদ। আকাশ কিছুটা নার্ভাস ছিল, কিন্তু নিজেকে শক্ত দেখানোর চেষ্টা করছিল।






শ্বশুরবাড়ি পৌঁছেই শুরু হলো আদর-যত্ন। বিশাল মাছের ঝোল, রুই মাছের কালিয়া, পাঁচ রকম ভাজা আর শেষে ঘন দুধের পায়েস। খাওয়ার সময় শ্বশুরমশাই আকাশের পাশে বসলেন। খেতে খেতে তিনি বললেন, "কী জামাই, সব তো ভালো লাগছে দেখছি? আমাদের গাঁয়ের রান্না, শহরের মতো তো আর জিভে জল আনা নয়!" আকাশ খুশি মনে উত্তর দিল, "আরে বাবা! এ তো অমৃত! এত মাছ আর এমন টাটকা জিনিস শহরে ভাবাই যায় না!"





শ্বশুরমশাই হাসতে হাসতে বললেন, "তা মাছ তো ভালো, কিন্তু জামাই, তোমার তো দেখছি মাছের মাথাটা খাওয়া হয়নি। আমাদের এখানে একটা নিয়ম আছে, জামাইকে মাছের মাথাটা খেতেই হয়। তা নাহলে শ্বশুরবাড়ির মন ভরে না।" আকাশ মাছের মাথা দেখে একটু দমে গেল। আসলে সে মাছের মাথা খেতে একেবারেই পছন্দ করে না। কিন্তু শ্বশুরমশাইয়ের কৌতুকপূর্ণ হাসি দেখে সে বুঝলো, এটা তাকে পরীক্ষা করার একটা উপায়।





আকাশ বুদ্ধি করে একটা গল্প ফাঁদলো। সে বলল, "বাবা, জানেন, আমার এক বন্ধু ছিল, সেও মাছের মাথা খেতে খুব ভালোবাসতো। কিন্তু একবার কী হলো! মাছের মাথা খেতে গিয়েই তার গলায় কাঁটা আটকে গেল, আর সেই কাঁটা তুলতে গিয়ে তাকে হাসপাতালে একমাস থাকতে হলো! তারপর থেকে আমি প্রতিজ্ঞা করেছি যে, আর কোনোদিন মাছের মাথা ছোঁব না। ওর কষ্ট দেখে আমার এমন ভয় ধরেছে যে কী বলবো!" কথাগুলো বলার সময় আকাশ এমন ভয় পাওয়ার ভান করলো যে শ্বশুরমশাই হাসতে শুরু করলেন।





শ্বশুরমশাইয়ের হাসি আর থামে না। তিনি বললেন, "ওহ্, এই ব্যাপার! তুমি তো দেখছি বেশ চালাক জামাই! ঠিক আছে, বাবা। তোমার পছন্দ না হলে খেতে হবে না। তবে এমন মজার গল্প বলার জন্য, কাল তোমার জন্য বিশেষ করে তোমার পছন্দের আরেকটা পদ রান্না হবে।" আকাশ হাফ ছেড়ে বাঁচলো। অরুণিমাও মুচকি হাসলো। আকাশ বুঝলো, বুদ্ধি দিয়ে সব পরীক্ষার মোকাবিলা করা যায়, আর শ্বশুরবাড়িতে মানিয়ে নেওয়ার জন্য একটু রসিকতাও খুব দরকার।






                


                      👨‍💼 পুরোনো সিন্দুক আর নতুন জামাই



প্রথম পর্ব: সিন্দুকের রহস্য


সুদূর কলকাতা থেকে যখন শৌর্য তার নতুন বউ তিথিকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি প্রথমবার এল, তখন তিথির বাবার দেওয়া বিশাল পুরোনো বাড়িটা দেখে সে রীতিমতো মুগ্ধ। বাড়িটা যেমন পুরোনো, তেমনই তার স্থাপত্যে আভিজাত্যের ছাপ। কিন্তু একটা জিনিস শৌর্যকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করল – সেটা হলো বৈঠকখানার এক কোণে রাখা বিশাল, কালো, সেগুন কাঠের পুরোনো সিন্দুক

সিন্দুকটির গায়ে খোদাই করা ছিল জটিল নকশা, আর উপরে পিতলের একটি ভারী তালা ঝুলছিল। শৌর্য কৌতূহলবশত শাশুড়ি মা, অলোকনন্দিনীর কাছে জানতে চাইল, "আচ্ছা মা, এই সিন্দুকটা কি অনেক পুরোনো? এর মধ্যে কী আছে?"

অলোকনন্দিনী হেসে বললেন, "ওহ্, ওটা! ওটা তিথির দাদুর আমলের। সিন্দুকটার বয়স প্রায় একশো বছর। ভেতরে কিছু নেই বললেই চলে—কিছু পুরোনো দলিল আর দু-চারটে পারিবারিক স্মারক। চাবিটা তিথির বাবা যত্নে রেখেছিল, কিন্তু প্রায় বছর দশেক হলো উনিও ভুলে গেছেন কোথায় রেখেছেন। তালাটা আর খোলা হয়নি।"

শৌর্য একজন ইঞ্জিনিয়ার। রহস্যের প্রতি তার একটা স্বাভাবিক আকর্ষণ ছিল। তালাটা খুলতে না পারার ব্যর্থতা যেন তার নতুন জামাই সত্তাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। সে মনে মনে ঠিক করে নিল—সে এর চাবি খুঁজে বের করবে। তার কাছে এটা জামাইষষ্ঠীর থেকেও বড় অ্যাডভেঞ্চার।


দ্বিতীয় পর্ব: জামাইয়ের চ্যালেঞ্জ


তিথি তার স্বামীকে দেখল, দিনরাত সে ঘরের কোণে পড়ে থাকা সিন্দুকটার দিকে তাকিয়ে আছে। প্রথম কয়েকদিন জামাই আদর, মাছের মাথা, আর মিষ্টিমুখ নিয়ে শৌর্য ব্যস্ত থাকলেও, ধীরে ধীরে তার মনোযোগ সিন্দুকটির দিকেই ফিরল। সে শ্বশুরমশাই অমিতাভর পুরোনো ডায়েরি, বইয়ের তাক, এমনকি রান্নাঘরের ক্যাবিনেটেও চাবির খোঁজ করতে লাগল।

একদিন দুপুরে, যখন অমিতাভ পেপার পড়ছিলেন, শৌর্য তাকে জিজ্ঞাসা করল, "বাবা, আপনি কি নিশ্চিত যে সিন্দুকের চাবিটা একেবারেই হারিয়ে গেছে? কোনো গুপ্তস্থানেও থাকতে পারে না?"

অমিতাভ প্রথমে বিরক্ত হলেন, কিন্তু জামাইয়ের চোখে আগ্রহ দেখে নরম হলেন। "চাবিটা ছিল একটা রুপোর কৌটোয়, সেটা ছিল আমার বাবার লেখার টেবিলে। টেবিলটাও আছে, তবে কৌটোটা নেই। বাবা চলে যাওয়ার পর আমি একবারই সিন্দুকটা খুলেছিলাম... সে অনেকদিন আগের কথা।"

শৌর্য তার শ্বশুরের স্মৃতি থেকে ছোট্ট একটি তথ্য বের করে আনল: সিন্দুকের ভেতর একটি আলাদা খোপ ছিল, যেখানে বিশেষ কিছু রাখা হত।

রাতে তিথিকে নিয়ে শৌর্য পুরোনো লেখার টেবিলটা খুঁটিয়ে দেখল। টেবিলের প্রতিটি ড্রয়ার, প্রতিটি কোণা... কিছুই বাদ গেল না। শেষমেশ, একটি ড্রয়ারের তলার দিকে হাতে একটি ছোট কাঠখণ্ড আটকে গেল। ভালো করে পরীক্ষা করে শৌর্য দেখল, কাঠখণ্ডের ওপরে সূক্ষ্মভাবে খোদাই করা একটি বিশেষ চিহ্ন, যা সিন্দুকের নকশার একটি অংশের সাথে হুবহু মিলে যায়!


তৃতীয় পর্ব: চাবি ও সিন্দুক


শৌর্য ধীরে ধীরে সেই কাঠখণ্ডের কোণটি ধরে টেনে বের করল। ওটা কোনো চাবি ছিল না, বরং সেটি ছিল একটি রোল-আপ ম্যাপ (Roll-up map)-এর অংশবিশেষ। ম্যাপটা খুলতেই দেখা গেল, একটি সাংকেতিক ভাষায় কিছু নির্দেশনা লেখা। নির্দেশনার শেষে একটা ছোট্ট লাইন: "পূর্ণিমা রাতে মধ্যরাতের আগে নয়, সিন্দুকের বামদিকের নিচের নক্সাটি চেপে ধরো।"

সেদিন ছিল পূর্ণিমা। রাত ঠিক এগারোটা বেজে চুয়াল্লিশ মিনিটে শৌর্য আর তিথি বৈঠকখানায় নিঃশব্দে অপেক্ষা করছিল। বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে। শৌর্য সিন্দুকের কাছে গিয়ে ম্যাপের নির্দেশিত স্থানে, বামদিকের নিচের জটিল নকশাটির একটি ছোট্ট অংশ, অত্যন্ত সাবধানে চেপে ধরল।

ক্লিক!—একটি ক্ষীণ শব্দ হলো।

সকলে দেখল, সিন্দুকের তালাটি নিজে থেকেই খুলে গেল! ভেতরে কোনো ধনরত্ন ছিল না, ছিল না কোনো গুপ্ত নথি।

যা ছিল:

  • একটি পুরোনো খাতা, যেখানে তিথির দাদুর হাতে লেখা গানের স্বরলিপি

  • একটি কাঠের বাক্স, যার ভেতর ছিল তিথির ছোটবেলার প্রথম জুতোজোড়া

  • এবং একটি সিল্কের কাপড়ে মোড়ানো রুপোর কৌটো, যার ভেতরে ছিল সিন্দুকের মূল চাবি, আর সাথে একটি ভাঁজ করা হলুদ হয়ে যাওয়া চিঠি।


চতুর্থ পর্ব: জামাইয়ের আবিষ্কার


চিঠিটি লিখেছিলেন তিথির দাদু, তার ছেলেকে উদ্দেশ্য করে—অর্থাৎ শৌর্যর শ্বশুরমশাই অমিতাভকে।

চিঠিতে লেখা ছিল:

"বাবা, যখন তুমি সিন্দুকটি খুলবে, তখন হয়তো তুমি আমার মতোই যুবক, অথবা তোমার নিজেরও সন্তান হয়েছে। এই সিন্দুকের চাবি আমি ইচ্ছে করে লুকাইনি। আমি চাইনি তুমি সহজে এই সিন্দুক খুলতে পারো। এই সিন্দুকের ভেতরের জিনিসগুলোর আর্থিক মূল্য সামান্য, কিন্তু এগুলো আমাদের স্মৃতি ও বন্ধনের প্রতীক। আমি চেয়েছিলাম, যে এই সিন্দুক খুলবে, সে যেন শুধু জোর দিয়ে নয়, বরং ভালোবাসা ও কৌতূহল দিয়ে এর চাবি খুঁজে বের করে। যদি তুমি চাবিটি খুঁজে বের করতে পারো, তাহলে বুঝব—তুমি জীবনের জটিলতা, আর মানুষের মনের গভীরে পৌঁছতে শিখে গেছো।"

অমিতাভ, অলোকনন্দিনী এবং তিথি—সবার চোখেই তখন জল। এই জামাইষষ্ঠীতে শৌর্য শুধু নতুন জামাই হিসেবে আদর পেল না, বরং সে তার শ্বশুরবাড়ির একশো বছরের পুরোনো ভালোবাসার ইতিহাস আবিষ্কার করল।

অমিতাভ সিন্দুকের গান ও জুতোজোড়া বুকে জড়িয়ে নিলেন। তারপর শৌর্যর দিকে তাকিয়ে বললেন, "বাবা শৌর্য, তুমি শুধু জামাই নও, তুমি আমাদের পরিবারে হারানো স্মৃতির চাবিকাঠি ফিরিয়ে এনেছো। এই সিন্দুকের আসল রহস্য ছিল এই চাবি খোঁজার যাত্রায়, যা প্রমাণ করল—তুমি আমাদের পরিবারকে শুধু গ্রহণ করোনি, তাকে গভীরভাবে জানতে চেয়েছো।"

শৌর্য হাসল, তার ইঞ্জিনিয়ারিং বুদ্ধি একটি পারিবারিক রহস্য সমাধান করেছে। কিন্তু সে জানত, এটি কেবল একটি সিন্দুক নয়—এটি ছিল ভালোবাসার এক পুরোনো ঐতিহ্য যা এখন তার হাতে।




               

অনিয়ম

  এলো মেলো আমি যা কিছু লিখলাম :  আগুন জ্বলানোর প্রয়োজন ততটুকু ঠিক যতটুকু পানি প্রয়োজন, জমিনে জ্বলাও আর আকাশ দিবে মেঘ থেকে বৃষ্টি ! আমার এ ই ...